মাটির কলসিতে জল ঠান্ডা থাকে কেন?

কুঁজো বা কলসি বানানোর সময় মাটির সঙ্গে খানিকটা বালিও মিশিয়ে নেওয়া হয়। ফলে, কলসির গায়ে অসংখ্য সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম ছিদ্র থেকে যায়, যা খালি চোখে দেখা যায় না। গরমকালে কলসির জল ওই সব সুক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে চুঁইয়ে বাইরে এসে বাষ্প হয়ে উবে যায়। বাম্প হওয়ার জন্য যে তাপ দরকার তা আসে ওই জল থেকেই। জল থেকে ক্রমাগত তাপ বেরিয়ে যাবার দরুন তা ঠান্ডা হয়। মাটির কলসির গায়ে হাত দিলেই এই ঠান্ডা ভাবটা দিব্যি টের পাওয়া যায়।

কলসির গা ফুঁড়ে জলের এই বাষ্পীভবন চলতেই থাকে বলে কলসির ভেতরের জলও ক্রমেই ঠান্ডা হতে থাকে। খেয়াল করলে দেখা যাবে, নতুন কুঁজো বা কলসিতে জল ঠান্ডা হয় বেশি। আসলে, মাটির কলসি যত পুরানো হয়, তার গায়ে ধীরে ধীরে শ্যাওলা পড়েয়ার ধুলোবালি লেগে ভেতরকার ছিদ্রগুলো ততই বুজে আসে। এর ফলে, ভেতরকার জলের বাইরে বেরিয়ে বাষ্প হয়ে উবে যাওয়ার হার কমে । জলও তাই  আগের মতন আর ঠান্ডা হতে পারে না।


কথায় বলে জ্ঞান শেয়ার করলে বাড়ে। নিচের বাটনগুলিতে ক্লিক করে আপনার আত্মীয়, বন্ধু এবং কোনো ছাত্র ছাত্রীকে ফেসবুকে অথবা হোয়াটস্যাপে এই লেখাটি শেয়ার করে দিন।

ভৌতবিজ্ঞান বিষয়ে আরও বিভিন্ন প্রশ্নের সহজ উত্তর

রং করার কিছুদিন পর ঘরের দেয়ালের চকচকে ভাবটা চলে যায় কেন?

স্টেনলেস স্টিলের বাসন আগুনে গরম করলে তার গায়ে নানা রঙের প্রতিফলন দেখা যায় কেন?

সাবানের রং আলাদা আলাদা হলেও সব সাবানের ফেনার রং সাদা কেন?

কাগজের টুকরো সাবানের গায়ে সেঁটে গেলেও পাতলা প্লাস্টিক সাবানের গায়ে আটকাতে চায় না কেন?

আকাশে মেঘ থাকলে গরমটা বেশি লাগে কেন?

দেওয়ালে ঘুষি মারলে ব্যথা লাগে, অথচ তুলোর বালিশে মারলে লাগে না কেন?

ডাবের জল কাপড়ে লাগলে দাগ ধরে যায় কেন?

বড় হলঘরে আওয়াজ করলে প্রতিধ্বনি শোনা যায় কেন?

চলন্ত বাস থেকে নামার সময় সামনের দিকে তাকিয়ে নামতে হয় কেন ?

ছাতার কাপড়ের রং সাধারণত কালো হয় কেন?

বৃষ্টির জল ছাতার কাপড় ফুঁড়ে আমাদের গায়ে এসে পড়ে না কেন?

বরফ জলে ভাসে কেন?

মাটির কলসিতে জল ঠান্ডা থাকে কেন?

ডিম জলে ডুবলেও নুনগোলা জলে ভেসে ওঠে কেন?

টাটকা ডিম সেদ্ধ করার পর তার খোলা ছাড়াতে অসুবিধে হয় কেন ?

ভৌতবিজ্ঞান বিষয়ে আরও ভিডিও

Pls Visit & Subscribe Our YouTube Channel


Follow Our Facebook Page